1. manobchitra@gmail.com : news :
  2. manobchitra24@gmail.com : News Bd : News Bd
July 18, 2024, 7:24 am
শিরোনাম
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে রিট করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গাজীপুরের কালীগঞ্জে একের পর এক গরু চুরির অভিযোগ, ব্যর্থতার দায় বাড়ছে কালীগঞ্জ পুলিশের র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অভিযানে ৪০০ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক- ১ রাজাপুরে সংসদ সদস্যর ঐচ্ছিক তহবিল থেকে সরকারি অনুদানের নগদ অর্থ ও বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরন নিয়োগ দিয়ে টাকা নিয়ে থাকলে তা ফিরিয়ে দিন: এমপি বাবুল নওগাঁয় অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি

বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে বৃক্ষনিধন করেছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • আপডেট সময় Saturday, June 15, 2024

মানবচিত্র ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শুধু ক্ষমতায় থাকাকালীন নয়, বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামেও বৃক্ষনিধন করেছে।

শনিবার (১৫ জুন) সকালে গণভবনে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির মুখে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের কথা শুনে হাসি পায়। নির্বাচনের নামে প্রহসন করে গেছেন জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে এ দেশের ভোটের সমস্ত অধিকারগুলো কেড়ে নিয়েছিল। তার সেই হ্যাঁ-না ভোট দিয়ে যাত্রা শুরু; অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করার জন্য। শুধু ক্ষমতায় থাকাকালীন নয়, আন্দোলনের নামেও বৃক্ষনিধন করেছে বিএনপি-জামায়াত।

বিএনপির ক্ষমতাকালের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির টাকা মেরে খেতো বিএনপি।

শেখ হাসিনা বলেন, একাধারে সেনাপ্রধান, তারপর আবার নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনী প্রহসন। ক্ষমতার মসনদে বসেই দল গঠন। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে যে দলটি গঠন করে, তাকে আবার জিতিয়ে আনার জন্য ভোট চুরির একটা প্রক্রিয়া এ দেশের শুরু করেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের পরে তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে এরশাদ ক্ষমতায় এসে জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। এ দেশের কৃষক-শ্রমিকরা সব সময় অবহেলিতই থেকে যায়। এরপর আসলো খালেদা জিয়া। সেও ক্ষমতায় আসার পর দেখা গেল, শুধু জনগণের ভোট চুরি করাই না, দেশের কৃষকের ভাগ্য নিয়েও ছিনিমিনি খেলে; সার পাওয়া যাচ্ছে না, কৃষক আন্দোলন করেছে। আন্দোলন করার অপরাধে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করেছিল।

শেখ হাসিনা সে সময় কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন উল্লেখ করে বলেন, খালি কৃষক কেন! রোজার দিনে শ্রমিকরা মজুরির দাবিতে যখন আন্দোলন করে তখনো প্রায় ১৭ জন শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করেছিল এই খালেদা জিয়া। বিদ্যুতের দাবি করেছিল কানসাটে; কৃষকরাই সেচের জন্য পানি পাচ্ছিল না। সেখানেও নয়জন মানুষকে হত্যা করা হয়। তাদের এই অপকর্মের ফলে যখন জনগণ তাদের ওপর বিতশ্রদ্ধ, সেই সময় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটা প্রহসনমূলক নির্বাচন হয়, খালেদা জিয়া সেই নির্বাচনে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করে। মাত্র ২২ শতাংশ ভোট পড়েছিল সেখানে। সরাসরি নির্বাচিত কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না। কিন্তু জনগণের ভোট চুরি করলে কেউ কিন্তু ক্ষমতায় থাকতে পারে না। বাংলাদেশের জনগণ এ ব্যাপারে খুব সচেতন।

আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পরবর্তী সময়ের স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, এয়ারপোর্ট থেকে বাংলা একাডেমি হয়ে ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত আইল্যান্ডের মধ্যে কৃষ্ণচূড়া গাছ। যখন ফুল ফুটতো, অপরূপ রূপ আমাদের এই শহরটা জেগে উঠতো। জিয়াউর রহমান একে একে সব গাছগুলো কেটে ফেলে দেয়।

তিনি বলেন, ঠিক হোটেল শেরাটনের সামনে একটা আইল্যান্ড আছে, সেখানে নাগকেশর ফুলের গাছ ছিল। সেখান দিয়ে গাড়ি নিয়ে বা হেঁটে গেলে খুব সুন্দর খুশবু আসতো। চমৎকার সবুজে ভরা ছিল। সেগুলো জিয়াউর রহমান কেটে ফেলে দেয়। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশে বিরাট বাগান বিলাশের ঝাড় ছিল, সেখানে অনেক টুনটুনি পাখি ছিল। আমরা ছোটবেলায় রুটি নিয়ে ওখানে যেতাম, ওদের খাবার দিতাম। সেটাও কেটে ফেলে। এভাবে সারা বাংলাদেশে বৃক্ষ নিধন এটাও কিন্তু তাদের একটা চরিত্র এবং তার আরেকটা নমুনা আপনারা পেয়েছেন ২০১৩ সালে।

আওয়ামী লীগ ৮৪ সাল থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তখন রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। পরিবেশ রক্ষা বা জলবায়ু পরিবর্তন-এসব কিন্তু তখনো বিশ্বে আসে নাই কিন্তু আওয়ামী লীগ; আমরা উদ্যোগ নেই, সব সময় গাছ লাগানো আমাদের নীতি ছিল। তখন থেকে আমরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করি এবং কৃষক লীগের ওপর দায়িত্ব দেই।

তিনি আরও বলেন, এটা আমরা শিখেছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কাছ থেকে। তিনি এ দেশের ঘোড়দৌড় বন্ধ করে দিয়েছিলেন। রেসকোর্স ময়দানে প্রথম বৃক্ষরোপণ করেন। সেখানে অনেক পুরাতন নারকেল গাছগুলো তার সময়ে লাগনো। তিনি নিজে বৃক্ষরোপণ করেন। গণভবনের পুরোনো সব গাছগুলো বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে লাগানো ছিল এবং খুব চমৎকারভাবে গাছগুলো সাজিয়ে লাগানো।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগই বোধ হয়, আমি জানি না- এই উপমহাদেশে কেন, পৃথিবীর যে কোনো দেশের, যে কোনো দলের কর্মসূচিতে দেখবেন যে, পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ, এটা কিন্তু আওয়ামী লীগই শুরু করে।

কৃষিজমি রক্ষায় গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি জমি কেউ নষ্ট করতে পারবে না। কৃষিজমি নষ্ট করে শিল্পায়ন করা যাবে না। বিশেষ করে তিন ফসলি জমিতে কোনো শিল্প কল-কারখানা করা যাবে না। আমাদের যেন কারও কাছে হাত পেতে চলতে না হয়। এজন্য কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, কৃষি নিয়ে আমাদের আগে যারা ক্ষমতায় ছিলো তারা এ বিষয়ে নজর দেয়নি। যে কারণে আমাদের অনেক উর্বর ভূমি নষ্ট হয়েছে। আমরা এ ব্যাপারে যথেষ্ট কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি।

সেচ ব্যবস্থায় সোলার প্যানেলের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর ৮১ লাখ লিটার ডিজেল সেচ কাজে খরচ হয়। এই ডিজেল যাতে সেচে ব্যবহার করতে না হয় সে জন্য সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে। সেচটাকে পুরোপুরি সোলারে নিয়ে যেতে চাচ্ছি।

সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা ভূ-উপরিস্থ পানি পরিশুদ্ধ করে ব্যবহার উপযোগী করায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। সেচকাজেও সেভাবে পদক্ষেপ নিয়েছি। সারা বাংলাদেশে নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় এবং বিশেষ করে ছোট ছোট জলাধার সংস্কারের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের পদক্ষেপ আমাদের নিতে হবে, তাহলে আমাদের ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমে যাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 ManobChitra
Theme Customized By BreakingNews